করোনা ভাইরাস আতঙ্কঃ মানসিক চাপের লক্ষণ ও প্রতিকার সমূহ

করোনা ভাইরাস সমস্যায় মুষড়ে পড়েছে গোটা দুনিয়া। চারিদিকে শুধু শোক সংবাদ আর অসুস্থতার খবর। নিজেদের কাজ ও অভ্যাসগুলোকে বন্ধ রেখে ঘর বন্দি হতে হয়েছে মানুষকে। এমন অবস্থায় যদি বলেন যে আপনি মানসিক চাপে আক্রান্ত, তাহলে অবাক হব না। কারণ আপনি একা নন। এই সমস্যার ভিতর দিয়ে কম বেশী যাচ্ছি আমরা সবাই।

 

মানসিক চাপ বা মেন্টাল স্ট্রেস এর লক্ষন সমুহ

বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বেশ কিছু লক্ষন যেমন হার্ট বিট বেড়ে যাওয়া, বেশি ঘাম হওয়া, পেশীতে টেনশন অনুভব করা, গলায় শক্ত ভাব অনুভুত হওয়া ইত্যাদি লক্ষনের মাধ্যমে নিজেদের মানসিক চাপ বা মেন্টাল স্ট্রেস হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত হতে পারেন। সাধারণত এই লক্ষন গুলো থেকেই বুঝা যায় যে কেউ মানসিক চাপে আছেন কিনা।

তবে আরো কিছু লক্ষন আছে, যেগুলো মানসিক চাপের অস্তিত্ব প্রমান করে। ক্লিনিকাল সাইকোলোজিস্ট এমেলিয়া আলডাও এর মতে, মনোযোগ দিতে না পারা, মেজাজ খিট খিটে থাকা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটা এবং ব্যাক্তিগত সম্পর্কের অবনতিও মানসিক চাপের লক্ষন বলে বিবেচিত হতে পারে।

এখন এরকম কিছু লক্ষণ এবং তাদের সাম্ভাব্য প্রতিকার নিয়ে সংক্ষেপে বলছি।

Read more

করোনা ভাইরাস (Covid 19) আক্রান্ত হলে কেমন অনুভুতি হয়? জেনে নিন সুস্থ হওয়া ৫ জনের অভিজ্ঞতা।

Covid 19 এখন এক আন্তর্জাতিক আতঙ্কের নাম। এর মধ্যে অধিকাংশ দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি আকারে। প্রায় প্রতিটি দেশে আক্রান্ত হচ্ছে বহু সংখ্যক মানুষ।

ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি করোনা ভাইরাস (Covid 19) সংক্রমনের লক্ষন এবং এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিজেকে বাচানোর উপায়। আজ আমরা সংক্ষেপে জেনে নেব Covid 19 আক্রান্ত রোগিদের কেমন অভিজ্ঞতা হয় সেই ব্যাপারে।

Read more

করোনা সংকটঃ বাড়িতে থাকা সময়কে কিভাবে উপভোগ্য ও অর্থবহ করবেন?

Coronavirus (Covid 19) এর সংক্রমণ এখন একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। এই মরণঘাতি ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মানুষ আজ ঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। বড়দের অফিস বন্ধ, ছোটদের স্কুল বন্ধ। স্পোর্টস ইভেন্ট, কন্সার্ট, টুরিস্ট স্পট এমনকি রেস্টুরেন্টগুলোও থাকছে বন্ধ। এসবই করা হচ্ছে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। সবাই মোটামুটি লম্বা একটা সময়ের জন্য নিজেদের বাড়িতে থাকছেন।

আমাদের কেউই এরকম অবস্থার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তাই হুট করে অনেকটা বাধ্য হয়ে বাসায় থাকাটা অনেকের ক্ষেত্রেই কিছু ছোট সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেমন বিরক্ত লাগা, মন খারাপ লাগা, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। বিভিন্ন সংস্থার হিসেব অনুযায়ী কোয়ারেন্টিন থাকার কারণে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স তথা সাংসারিক বিবাদের পরিমান বেড়ে গেছে প্রায় ৩০ শতাংশ।

এই জরুরি সময়ে যাতে পরিবারের মধ্যে এই ধরণের কোন সমস্যা না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা দরকার। এসব সমস্যা এড়াতে একটা উপায় হতে পারে নিজেদেরকে গঠনমূলক কাজে ব্যাস্ত রাখা। সেই বিষয়ে কিছু ধারণা দিতেই আজকের ব্লগটা লেখা। এমন বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আজ বলব, যা আপনার কোয়ারেন্টিনে থাকা সময় কে শুধু ইন্টারেস্টিং করবে না বরঞ্চ এই কাজ গুলো গঠনমূলকও হবে।

১। পাজল (Puzzle) ভিত্তিক গেমস খেলুন

এই ধরনের খেলাগুলো আপনার মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখবে। এই খেলার সময় যথেস্ট পরিমান চিন্তা ভাবনা করতে হয়, তাই সময় কিভাবে কেটে যাবে বুঝতেই পারবেন না! তাছাড়া এটি পরিবারের সবাই কে নিয়ে অংশ নেয়ার মত একটি খেলা। বিভিন্ন খবরের কাগজে এই পাজল গুলো দেয়া থাকে। এছাড়া অনলাইনেও ফ্রি খেলতে পারবেন।

 

২। একটি ব্লগ শুরু করুন

লেখালেখি হতে পারে সময় পার করার অন্যতম সেরা উপায়। অভ্যাস নেই? সমস্যা কি, চেস্টা করার সময় তো এটাই! আপনার ব্লগটি হতে পারে করোনা ভাইরাস নিয়ে। অথবা আপনি আপনার পছন্দের যেকোন বিষয়েও লিখতে পারেন।

মজার ব্যাপার হল এজন্য আপনার একটি টাকাও খরচ করতে হবে না। WordPress, Blogger, Medium সহ এরকম অনেক চমৎকার প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যা একদম ফ্রি।

 

৩। মিউজিক?

মিউজিক ভালবাসেন? হয়ত এক কালে শখ করে কিনেছিলেন একটি গিটার অথবা হারমোনিয়াম, তবলা? কিন্তু কাজের চাপে আর বসা হয় না সেটা নিয়ে? এখন একটা চমৎকার সময় আপনার লুকায়িত প্রতিভাবে বিকশিত করার। ভাল লাগা যন্ত্রকে নিয়ে নাড়া চাড়া করতেই দেখবেন অনেক সময় চলে গেছে। রেখে গেছে দারুন একটি আমেজ। তবে খেয়াল রাখবেন, তা যেন অন্যের বিরক্তির কারণ না হয়ে দাড়ায়।

 

৪। পুরাতন বন্ধু – বান্ধবীদের সাথে যোগাযোগ করুন

আমাদের তো কত বন্ধুই থাকে। ব্যাস্ততার কারণে এদের কয়জনের সাথে আমরা কথা বলি? হয়ত ফেসবুকের বন্ধু তালিকার এক কোনে পড়ে আছে, খবর নেয়া হয় না। ফোনবুকে নম্বর আছে, কল করার সময় হয় না। এখনি সময় পুরনো সম্পর্কগুলোকে ঝালিয়ে নেবার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যাবহার করে তাদের সাথে কথা বলুন। দেখবেন কথা বলে, পুরনো স্মৃতিগুলো এক সাথে হাতড়ালে ভালই লাগবে।

 

৫। কবিতা লেখার চেস্টা করুন

এই চেস্টা করার ইচ্ছা অনেকেরই থাকে। কিন্তু কেমন হবে ইত্যাদি ভেবে অনেকেই আর সামনে আগান না। আমি বলব সফলতা ব্যার্থতার কথা এক পাশে সরিয়ে রাখুন। চেস্টা করুন, দেখবেন কিছু একটা দাড়িয়ে গেছে। অনেকেই ভেবে কুল পাবেন না কি নিয়ে লিখবেন। তাদের জন্য একটা সাজেশন। সামনেই আসছে মা দিবস। তার আগে মা কে নিয়ে একটা কিছু লিখে ফেলতে পারলে কেমন হয়?এটা মায়ের জন্য দারুন একটি উপহার হতে পারে।

 

৬। ম্যুভি দেখুন

সময় কাটানোর জন্য প্রিয় জনরার ম্যুভি থেকে ভাল আর কি হতে পারে? তবে শুরু করে দিন। তবে হ্যা, সে সমস্ত ম্যুভি আপনার ওয়াচ লিস্টে রাখবেন যেগুলো বেশ লম্বা। হয়ত সময়ের ব্যাস্ততায় এই ম্যুভি গুলো আপনার দেখা হয়ে উঠে নি। যেমন লর্ড অফ দ্য রিংস বা হবিট সিরিজ দেখে নিতে পারেন। এই ম্যুভি গুলোর এক্সটেন্ডেড কাট এডিশন একেকটা প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপি। দারুন লাগবে। তবে ম্যুভি সিলেকশন এর সময় অবশ্যই আপনার সংগি বা পরিবারের অন্য সদস্যদের মতামতের গুরুত্ব দিতে হবে।

 

৭। বই পড়ুন

সময় কাটানোর আরেকটি চমৎকার উপায় হল বই। এক কাপ কফির সাথে একটা ভাল বই আপনাকে নিয়ে যাবে অন্য এক জগতে। এক্ষেত্রেও যেসব বই বেশ বড় সেগুলোকে প্রাধান্য দিতে পারেন। পড়ে ফেলতে পারেন প্রিয় লেখকের কিছু উপন্যাস বা প্রিয় কবির কিছু মহাকাব্য, যার যেটা ভাল লাগে।

 

৮। পেইন্টিং করুন

যাদের এই শখ আছে তারা তো করবেনই। যাদের শখ নাই তাদেরও চেস্টা করায় কোন দোষ নাই। আঁকানো একটা দারুন ব্যাপার। আকার মাধ্যমে আপনি নিজের একটা জগৎ তৈরী করব ফেলতে পারেন। রং পেন্সিল নেই? তাতে কি? পেন্সিল অথবা কলম দিয়েই শুরু হোক না।

 

৯। মেডিটেশন করুন

সব সময়ে যে আপনাকে কোন কিছু উপভোগ করতে হবে এর কোন মানে নেই। নিজের আত্মন্নয়নের জন্যও কিছু কাজ করা যেতে পারে। মেডিটেশন তার মধ্যে একটা। কিভাবে মেডিটেশন করবেন তা জানতে ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।

 

১০। নিজের শরিরের যত্ন নিন

আমাদের ব্যস্ত জীবন যেন আমাদের নিজেদের দিকে তাকাবার সময়ই দেয় না। এবার যেহেতু হাতে বেশ সময় পাচ্ছেন, তাই সেই ঘাটতি পুরণ করে নেবার এটা একটা ভাল সুযোগ। শারিরীক ব্যায়ামের একটা ভাল অভ্যাস করে ফেলতে পারেন। লম্বা সময় ঘরে বসে থাকার কারনে শরীরের প্রয়োজনীয় যে মুভমেন্ট সেটা হচ্ছে না। তাই নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যেই ব্যায়াম করা অনেকটাই দরকারী। এছাড়া নারীরা তাদের রূপচর্চা সংক্রান্ত কিছু কাজ করে নিতে পারেন। নিজেকে সুন্দর দেখলে মন মেজাজ এমনিতেই ভাল থাকবে, একথা বলাই বাহুল্য।

 

১১। ঘর বাড়ি গুছানো

ব্যাস্ততার কারণে অনেক সময় ঘরবাড়ি ভাল মত পরিস্কার ও গুছানো হয়ে উঠে না। এই লম্বা সময়ের একটা ছোট অংশ কাজে লাগিয়ে আপনার প্রিয় বাড়িটি গুছিয়ে আরো চমতকার রূপ দিতে পারেন। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে আপনার নিজের এবং অন্যদের যেমন ভাল লাগবে, তেমনি সবাই থাকতে পারবেন জীবাণু ও অন্যান্য সমস্যা থেকে নিরাপদ।

 

১২। ভিডিও গেমস খেলুন

ভিডিও গেমসের ব্যাপারে যাদের আসক্তি, তাদের এই কথা মনে করিয়ে দেবার কোন প্রয়োজন নেই, জানি। তবে যারা কখনো খেলেননি বা খেলার ইচ্ছা থাকলেও সময় হয় না, তাদের জন্য এটা হতে পারে এক রঙিন সময়। আপনার পছন্দের জনরার গেমস আপনাকে বিরক্তিকর সময় থেকে বাচাবে। সেই সাথে আপনার মস্তিষ্কও থাকবে ব্যাস্ত। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। আপনার গেমস নিয়ে ব্যাস্ততা যেন পরিবারের অন্য সদস্যদের নিঃসংগ না করে দেয়।

 

১৩। ইউটিউব ভিডিও তৈরী করুন

আপনি যেই হন না কেন, কোন না কোন বিষয়ে আপনি অন্যদের চাইতে ভাল ধারণা রাখেন। যেহেতু আপনি সেই বিষয়ে দক্ষ, সেহেতু আপনি সেই বিষয় অন্যদের শিখাতে পারবেন। এই বিষয়ের উপর তৈরী করে ফেলতে পারেন কিছু ইউটিউব ভিডিও। এতে আপনার সময়ও ভাল কাটবে, নিজের জানা শোনা গুলোও আরেকটু ঝালাই করে নেয়া হবে। কে কি ভাবল বা আপনাকে যথেষ্ট স্মার্ট দেখাল কিনা, এগুলো ছোট খাট ব্যাপারে ভাববেন না।

 

১৪। ভাবুন, বেশি ভাবা প্র‍্যাকটিস করুন

পড়াশোনা, চাকরি, সোশ্যাল মিডিয়া, ম্যুভি ইত্যাদির ভিড়ে আমরা যেন নিজেদেরকে নিয়ে গভীর চিন্তা করাই ভুলে গেছি। তাই কিছু সময়ের জন্য হলেও সমস্ত কাজ বাদ রেখে চিন্তা করুন। ভাবুন। নিজেকে, নিজের পরিবারকে, এবং নিজের সমাজকে নিয়ে ভাবুন।

 

১৫। পরিবারকে একান্ত সময় দিন

সব কাজ দুরে রেখে পরিবারের জন্য সময় বের করুন। তাদের সাথে ভালভাবে কথা বলুন। কারো কোন সমস্যা থাকলে সেটা বুঝার চেস্টা করুন। নিজেদের মধ্যে দুরত্ব কমিয়ে আনার এটা একটা মোক্ষম সুযোগ। বাবা, মা সাথে থাকলে সময় দিন। দুরে থাকলে নিয়মিত ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে খোজ খবর নিন। আপনার সব থেকে আপনজন কিন্তু আপনার পরিবার।

ই পাসপোর্ট

ই পাসপোর্ট কি । ই পাসপোর্ট কিভাবে করবেন। ই পাসপোর্ট করার ফি ও নিয়ম

ই পাসপোর্ট কথাটা আমরা বেশ কিছু আগে থেকে শুনে আসছি। এর কারণ গত বছরেই অর্থাৎ ২০১৯ সালের জুলাই মাসের দিকেই ই-পাসপোর্ট চালু করার কথা ছিল। কিন্তু কিছু সমস্যার কারণে সেই তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে মুজিব বর্ষ ২০২০ এর অন্যতম নতুন সংযোজন হিসেবে ২২ জানুয়ারী ২০২০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-পাসপোর্ট কর্মসূচীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এখন থেকে যেকোন বাংলাদেশী প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ই- পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। উল্লেখ্য এই যে দক্ষিন এশিয়ার প্রথম দেশ এবং পৃথিবীর ১২০ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রবেশ করল ই- পাসপোর্টের যুগে। সবার আগে এই প্রযুক্তি এনেছিল মালয়েশিয়া, ১৯৯৬ সালে।

ই পাসপোর্ট
মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে সবার জন ই পাসপোর্ট এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বংবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

ই- পাসপোর্ট কি

সহজ ভাষায় ই পাসপোর্ট আর মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের মধ্যে পার্থক্য অনেকটা এটিএম কার্ড ও চেক বই এর মত। চেক ব্যাবহার করে যেমন গ্রাহক নিজে একা একা টাকা তুলতে পারে না। এজন্য সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার সীল, সাক্ষর ইত্যাদি লাগে। কিন্তু এ টি এম কার্ড ব্যাবহার করে গ্রাহক এসব ঝামেলা ছাড়াই নিজের টাকা তুলতে পারেন। ই পাসপোর্টের সার্ভিস অনেকটা এটিএম কার্ডের মত।

ই পাসপোর্ট
প্রতিকি ছবিতে দেখান হচ্ছে ই পাসপোর্টের গঠন  প্রনালী, যা সর্বাধুনিক এবং দারুণ সুরক্ষিত

ই পাসপোর্ট হল একটি পাসপোর্ট যাতে ইলেক্ট্রনিক মাইক্রো প্রোসেসর চিপ লাগানো থাকবে। আপাতত দৃষ্টিতে পাসপোর্ট বইটি দেখে কোন কিছু বুঝা যাবে না। দেখতেও অনেকটা MRP পাসপোর্টের মতই। কিন্তু ভিতরে সংযুক্ত চিপটি এম আর পি (মেশিন রিডেবোল পাসপোর্ট) আর ই পাসপোর্টের মধ্যেকার প্রধান পার্থক্য সৃষ্টি করেছে। এই চিপের মধ্যে আছে বায়োমেট্রিক তথ্য যা পাসপোর্টধারীর যাবতীয় তথ্য বহন করে। এতে মাইক্রো প্রসেসর চিপ এবং অ্যান্টেনা সহ স্মার্ট কার্ডের প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

Read more

online travel agency

অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি (OTA) কেন ব্যাবহার করবেন । বাংলাদেশের সেরা অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি

আমরা যারা আকাশপথে দেশে বা বিদেশে ভ্রমণ করা থাকি তাদের কমবেশি সবাই ট্রাভেল এজেন্সির নামক সংস্থাগুলোর কথা জানি যারা বিভিন্ন গন্তব্যের বিমান টিকিট সরবরাহ করে থাকে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অবশ্য এইসব সনাতন ট্রাভেল এজেন্সির আধুনিকায়ন হয়েছে এবং নতুন ধরনের ট্রাভেল এজেন্সির উৎপত্তি হয়েছে যাকে বলা হচ্ছে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি। মুলত এদের কাজ অনলাইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের টিকিট সরবরাহ করা এবং পেমেন্ট গ্রহন করা।

 

অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি কি?

অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি মুলত একটি ট্রাভেল এজেন্সি যারা তাদের ব্যাবসা পরিচালনা করে থাকে তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইট বা পোর্টালের মাধ্যমে। অনেক অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির অফিসে গিয়েও টিকিট বুক করার সুযোগ আছে। তবে তাদের মুল লক্ষ্য থাকে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে বিমান টিকিট, হোটেল রুম ইত্যাদি বিক্রির সেবা দিয়ে থাকে। এতে গ্রাহক শুধু মাত্র ওয়েবসাইট ব্যাবহারের মাধ্যমে পেমেন্ট সহ নিজের টিকিট নিজে বুক করে নেয়ার স্বাধীনতা পেয়ে থাকেন।

Read more

ওমরাহ কিভাবে করবেন? উমরাহকারী জন্য একটি সম্পূর্ণ গাইড লাইন | উমরাহ এর নিয়মাবলী

আপনি কি পবিত্র উমরাহ্‌ পালনে আগ্রহী? মহান আল্লাহ পাক সুযোগ করে দিয়েছেন বছরের যেকোন সময় উমরাহ্‌ পালনের। আর এজন্য ফ্লাইট এক্সপার্ট নিয়ে এসেছে দারুণ সাশ্রয়ী সব উমরাহ্‌ প্যাকেজ। ৭ দিন, ১০ দিন ও ১৪ দিনের কাস্টমাইজড প্যাকেজ সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং বেছে নিন আপনার পছন্দ ও সাধ্য অনুযায়ী উমরাহ্‌ প্যাকেজ https://www.flightexpert.com/umrah/

যেকোন তথ্যের প্রয়োজনে কল করুণঃ  +88-09617-111-888

Book Cheap Air Tickets Now

 

how to do umrah

 

 

উমরাহ্‌ বলতে আমরা কি বুঝি

উমরাহ শব্দের অর্থ হল পরিদর্শন করা বা সাক্ষাৎ করা। ইসলামের ভাষায় পবিত্র হজ্জের সময় ব্যাতিত অন্য যেকোন সময়ে পবিত্র কাবা ঘর পরিদর্শন (তাওয়াফ) করাকে উমরাহ বলা হয়ে থাকে। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত যে তিনি আমাদের বছরের যেকোন সময় উমরাহ পালনের সুযোগ করে দিয়েছেন। পবিত্র হজ্জ শুধুমাত্র জিলহজ মাসে পালন করা যায়। কিন্তু উমরাহ যেকোন সময়ে পালন করা সম্ভব। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে উমরাহ আদায়ের বিশেষ ফযিলত রয়েছে। অনেকে আবার হজ্জ পালনের আগে উমরাহ পালন করে থাকেন। এর পর একই ইহরামে হজ্জ পালন করেন।

প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মুসলমানরা পবিত্র মক্কা অভিমুখে যাত্রা করেন। তাদের উদেশ্য উমারাহ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, এক উমরাহ হতে অন্য উমরাহ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সবকিছুর গুনাহের কাফফারা। আর মাবরুর হজের প্রতিদান হলো জান্নাত ( বুখারী ও মুসলিম)। অন্য হাদীস শরীফে প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, তোমরা বারবার হজ্জ ও উমরাহ আদায় কর, কেননা এ দুটো দারিদ্রতা ও গুনাহকে সে ভাবে মুছে ফেলে, যে ভাবে কর্মকারের হাওয়া দেয়ার যন্ত্র লোহার ময়লাকে দূর করে থাকে। (নাসায়ী শরিফ।)

তবে উমরাহ পালনের বেশ কিছু নিয়মাবলী আছে। এই সব নিয়ম গুলো অবশ্যই পালন করতে হবে। তাছাড়া উমরাহ কবুল না হবার সম্ভাবনা থেকে যেতে পারে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমাদের মধ্যে অনেকেই এই সমস্ত নিয়ম গুলো ঠিক মত জানেন না অথবা উদাসিন থাকেন। তাই আমাদের আজকের ব্লগের উদ্দেশ্য হল উমরাহ পালনের অবশ্যক নিয়মাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা।

Read more

এয়ার টিকিট – ভাড়া কেন উঠা নামা করে? ডায়নামিক প্রাইসিং কি ও কিভাবে কাজ করে?

এয়ারলাইন্সে ভাড়ার ব্যাপারটা সাধারন যাত্রীদের কাছে সব সময়েই একটা বিতর্কের বিষয় হয়ে দাড়ায়। এটা নিয়ে অনেকের অভিযোগের শেষ থাকেনা। অবশ্য টিকিট ক্রেতাদের অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি আছে। কারন আন্তর্জাতিক বা ডোমেস্টিক, সব ধরনের বিমানের ভাড়া ক্রমাগত পরিবর্তিত হতে থাকে। এই সপ্তাহে আপনি যে ভাড়ায় কক্সবাজার বা কুয়ালালামপুর গেলেন, এর ২ সপ্তাহ পরে এই দামে বিমান টিকিট নাও পেতে পারেন। কম বেশী হতেই পারে। একটু ঝামেলার মনে হলেও এই ভাড়ার ব্যাপার গুলো এভাবেই নিয়ন্ত্রন করে থাকে বিমান সংস্থাগুলো।

এর কারন হল এয়ার লাইন্স ইন্ডাস্ট্রিতে বহুল প্রচলিত ডায়নামিক প্রাইসিং মেথড। এই মেথড অনুযায়ি একটা বিমানের সব আসনের ভাড়া কখনই সমান হবে না। এমন কি সব ইকোনমি ক্লাসের সিট বা বিজনেস ক্লাসের সিটের ভাড়াও এক হবে না।

ডায়নামিক প্রাইসিং কি?

এর কারন বুঝতে হলে আমাদের সবার আগে জানতে হবে ডায়নামিক প্রাইসিং কি? এটি এমন একটি প্রাইসিং মেথড যা পরিবর্তনশীল। এবং এই ভাড়া পরিবর্তনের ব্যাপারটা সম্পূর্ণরূপে এয়ারলাইন্স সংস্থার আওতাধীন। প্রতিটি ফ্লাইটের যাত্রী সংখ্যা, খালি আসন সংখ্যা, ফ্লাইটের চাহিদা, ডিপারচার টাইম, গন্তব্য, বছরের বিশেষ সিজন, টিকেট ক্যান্সেলেশন সংখ্যা ইত্যাদি কিছু ফ্যাক্টরের ডাটা অ্যানালাইসিস এর মাধ্যমে এয়ারলাইন্স সংস্থা এই সিদ্ধান্ত গুলো নিয়ে থাকে। ডাইনামিক প্রাইসিং কে সারজ প্রাইসিং, ডিমান্ড প্রাইসিং ও টাইম বেসড প্রাইসিংও বলা হয়ে থাকে। ডায়নামিক প্রাইসিং এর অতি পরিচিত একটি উদাহরন হল রাইড শেয়ারিং কোম্পানী গুলো যেমন উবার, পাঠাও ইত্যাদি। খেয়াল করে দেখবেন পিক আওয়ার এ ভাড়া বেশ বেশী থাকে, আবার অফ পিকে ভাড়া কমে আসে।

 

 

 

ড্রিমলাইনার ৭৮৭
বাংলাদেশ বিমানেও ডায়নামিক প্রাইসিং মেথড ব্যবহার করা হয় (ছবি কৃতজ্ঞতাঃ জনাব শাকিল মিরাজ)

Read more

europe

ইউরোপে ভ্রমণ – কম খরচে বেড়ানোর দারুন এবং নতুন কিছু গন্তব্য সম্পর্কে জেনে নিন

মোটা দাগে বলতে গেলে পর্যটকদের ২ ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়। প্রথম দলে থাকবেন তারা, যারা সাধারনত পরিচিত এবং ট্রেন্ডি দেশ বা এলাকা গুলোতে ঘুরে বেড়াতে ভাল বাসেন।

আর দ্বিতীয় দলে রয়েছেন তারা যারা মোটামুটি এই সব পরিচিত যায়গা গুলো ঘুরে ফেলেছেন। এখন তাদের দরকার আরো নতুন কিছু, নতুন কোন গন্তব্য। এইত দ্বিতীয় দলের মানুষদের নিয়ে আজ আমার লেখা। আজকের লেখায় ইউরোপের বেশ কিছু গন্তব্যের কথা আমরা বলব যেগুলো হয়ত লোক্মুখে অতটা প্রচলিত না। হয়তবা ইন্সটাগ্রামের ট্রেন্ডি ছবি গুলোতে এদের কথা অতটা উঠে আসবে না। কিন্তু প্রকৃতি তার সৌন্দর্যের ভান্ডার থেকে এসব জায়গা গুলতে সৌন্দর্য ঢেলে দিতে কোন কার্পণ্য করেনি। এরকম কয়েকটি সেরা অঞ্চল নিয়ে আমাদের আজকের ব্লগ।এদেরকে এক কথায় ইউরোপের হিডেন জেম বা লুকায়িত রত্ন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। আর বলাই বাহুল্য, টুরিস্টের ভিড় কম থাকার কারনে এখানে থাকা খাওয়া সহ অন্যান্য ব্যাপার গুলো অপেক্ষাকৃত কম খরচেই সেরে ফেলা যাবে। আর সেই সাথে ফ্লাইট এক্সপার্টের এয়ার টিকিট এবং হোটেলের ন্যায্য মুল্যের অঙ্গীকার তো রইলই!

Read more

travel dubai

ঘুরে আসুন দুবাই । কি কি দেখবেন । ঢাকা দুবাই বিমান টিকিট

দুবাইতে বেড়াতে যাবার ব্যাপারে আসলে কারো আগ্রহের কমতি থাকার কথা না! এক সময়ের মরুদ্যান খ্যাত দুবাই আজ কঠোর পরিশ্রম, যথাযথ পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে দারুন আকর্ষণীয় একটি দেশে পরিণত হয়েছে। মরুভুমির বুকে অসাধারণ সব আকর্ষণীয় স্থাপনা গুলো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুবাই সরকার সারা পৃথিবীতে সাড়া ফেলে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সালের মধ্যে দুবাই ভ্রমণকারী পর্যটকের সংখ্যা বছরে ৪০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।

আজকের ব্লগে আমরা কথা বলেছি দুবাই ভ্রমণ সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে। প্রধানত আমরা তুলে ধরেছি দুবাই এর সেরা সব ভ্রমণ গন্তব্যগুলোকে। পাশাপাশি আরও উঠে এসে দুবাইগামী এয়ারলাইন্স, বিমান ভাড়া, বিমান টিকিট কোথায় কিভাবে পাবেন ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য।

Read more

২০১৯ এর সেরা ভ্রমণ গন্তব্য । ২০২০ এ কোথায় যাবেন

যারা এর আগে বিভিন্ন ব্যাস্ততার কারণে খুব বেশী ভ্রমণ করতে পারেননি কিন্তু ইদানিং ট্যুর এ যাবার প্ল্যান করছেন তাঁদের জন্য অনেক কাজে আসবে, এমন একটি পোস্ট আজ লিখছি। প্রতি বছর বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি, পর্যটক এবং অন্যান্য সংস্থার মতামত ও ভোট নিয়ে পৃথিবীর সেরা ভ্রমণ গন্তব্যের লিস্ট তৈরি করা হয়ে থাকে। এ বছরও এরকম  একটি লিস্ট তৈরি করা হয়েছে যেখানে সেরা গন্তব্য গুলোর নাম দেয়া আছে। সেই লিস্টের উপর নির্ভর করে আমাদের আজকের ব্লগ।

 

লিস্ট অনুযায়ী ২০১৯ এর সেরা ভ্রমণ গন্তব্য গুলো নির্ধারিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে। এর মধ্যে রয়েছেঃ

 

  • সেরা হানিমুন গন্তব্য
  • সেরা সমুদ্র সৈকত
  • সেরা সাফারি গন্তব্য
  • সেরা শহর
  • সেরা অ্যাডভেঞ্চার গন্তব্য
  • সেরা দ্বিপ
  • সেরা রোম্যান্টিক গন্তব্য

Read more

Reviewed by 46 People. - Rated: 4.0 / 5.0