বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী – প্রতিষ্ঠা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের ভূমিকা

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথার প্রধান অংশ জুড়ে আছে দেশের উদ্যমী সাহসী মানুষ, যারা দেশকে ভালবেসে যার যার জায়গা থেকে ঝাপিয়ে পড়েছে হানাদার বাহিনীর মোকাবেলা করতে। ৯ টি রক্তাক্ত মাস! অন্যান্য দেশের তুলনায় ৯ মাস সময় হয়ত বা স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য বেশী দীর্ঘ কোন সময় না। কিন্তু এই ৯ মাসে যে পরিমান হত্যাযজ্ঞ ও রক্তপাত হয়েছে, যে পরিমান নারীদের লাঞ্চিত করা হয়েছে, তার তুলনা ইতিহাসে নাই। সবচাইতে বড় কথা হল, একেবারে কোন রকম প্রস্তুতি ছাড়া একদম শুন্য থেকে মুক্তিবাহিনী নামক একটি বাহিনী তৈরি করা এবং সেই বাহিনীর দ্বারা অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি হানাদারদের  মোকাবেলা করা এবং মাত্র নয় মাসের মধ্যেই বিজয় ছিনিয়ে আনার মত কৃতিত্ব অন্য কোন জাতি দেখাতে পেরেছে কিনা আমার জানা নেই। এই মহান মুক্তিবাহিনী তৈরিতে যাদের অনস্বীকার্য অবদান, সেই বাংলার খেটে খাওয়া কৃষক, শ্রমিক, নারী ও ছাত্র জনতার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের অধীনে কর্মরত বাঙালি পুলিশ, সেনা বাহিনী, নৌবাহিনী, ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি রইল অসীম শ্রদ্ধা।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে ও মাতৃভূমির ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালী বিমান বাহিনী কর্মকর্তা ও বিমানসেনাগণ পাকিস্তান বিমান বাহিনী ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও এতটা সহজ ছিল না।

বিমান বাহিনীর মত গুরুত্বপূর্ণ পদের চাকুরিরত অবস্থায় একটি নতুন দেশের জন্য সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে নেমে পড়াটা মোটেও সহজ কোন সিদ্ধান্ত ছিল না পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের জন্য। সে সময় তাঁরা চাকুরীজীবী হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেন। তাঁদের সম্মানি ছিল অন্যান্য যেকোন পেশাজীবীদের চাইতে অনেক বেশী। এই সুনিশ্চিত জীবন ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে জীবনের ঝুকি নিয়ে কয়জন নামতে পারে?

কিন্তু আমাদের বীর বিমান সেনারা সেটা করতে পেরেছিলেন। দেশ মাতৃকার প্রতি ভালবাসার কাছে হার মেনেছে সবই। সব কিছু ছেড়ে দেশের জন্য লড়াই করতে জীবন বাজি রাখতে একটুও দ্বিধা করেননি তাঁরা।

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর অবদানের কথা বলতে গেলে সবার আগে চলে আসেবে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের নাম।

১৯৭১ সালের শুরুতে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মতিউর রহমান সপরিবারে ঢাকা আসেন দুই মাসের ছুটিতে। ২৫ মার্চের কালরাতে তিনি ছিলেন নরসিংদীর রায়পুরার রামনগর গ্রামে৷ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হয়েও অসীম ঝুঁকি ও সাহসিকতার সাথে ভৈরবে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প খুললেন৷ যুদ্ধ করতে আসা বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে থাকলেন ৷ তিনি দৌলতকান্দিতে জনসভা করেন এবং বিরাট মিছিল নিয়ে ভৈরব বাজারে যান। মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র দিয়ে গড়ে তোলেন প্রতিরোধ বাহিনী। পাক-সৈন্যরা ভৈরব আক্রমণ করলে বেঙ্গল রেজিমেন্টে ই,পি,আর-এর সঙ্গে থেকে প্রতিরোধ বুহ্য তৈরি করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি বিমান বাহিনী এফ-৮৬ স্যাবর জেট থেকে তাঁদের ঘাঁটির উপর বোমাবর্ষণ করে ৷ মতিউর রহমান পূর্বেই এটি আশঙ্কা করেছিলেন৷ তাই ঘাঁটি পরিবর্তন করেন এবং ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পান তিনি ও তাঁর বাহিনী৷

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

এরপর ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকা আসেনও ৯ মে সপরিবারে করাচি ফিরে যান ৷ কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে জঙ্গি বিমান দখল এবং সেটা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাকে তখন বিমানের সেফটি অফিসারের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। সে সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) এর নিজস্ব কোন যুদ্ধ বিমানই ছিল না। ঠিক এই কারণে মতিউর রহমান পাকিস্তান থেকে একটি বিমান চুরি করে সেটি ব্যাবহার করে হানাদারদের দমন করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে সহায়তা করেনি। বিমানটি দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হয় এবং মতিউর রহমান মৃত্যু বরন করেন (২০ই আগস্ট, ১৯৭১)। পরবর্তীতে তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

 

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রতিষ্ঠা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েও আমাদের নিজস্ব কোন যুদ্ধ বিমান ছিলনা। একারণে বিমান বাহিনীর বাংলাদেশী কর্মকর্তা, যারা সব ছেড়ে যুদ্ধে যোগদান করেছেন, তাঁরা প্রথমদিকে জল ও স্থল পথে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ ছাড়াও সেক্টর/সাবসেক্টর কমান্ডারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা শুরু করেন।

কিন্তু যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছিল, যুদ্ধ জয়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা ততোই অনুভূত হচ্ছিল। সবাই বুঝতে পারছিলেন যে গুরুত্বপূর্ণ আক্রমনের জন্য বিমান বাহিনীর কোন বিকল্প নেই।

এই প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখে এগিয়ে আসেন বেশ কিছু উদ্যোগী বাঙালি বিমান বাহিনী সদস্য। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিমান বাহিনী। বাঙালি বিমান কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ, সাবেক পিআইএ পাইলট ক্যাপ্টেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাবেক পিআইএ পাইলট ক্যাপ্টেন সাত্তার, সাবেক পিআইএ পাইলট ক্যাপ্টেন সরফুদ্দিন এবং সাবেক কৃষিবিভাগের পাইলট ক্যাপ্টেন আকরাম আহমেদ। তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৭১ সালে ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে গঠিত হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কিলো ফ্লাইট এর সদস্যবৃন্দ, ১৯৭১। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

প্রথমদিকে এই বাহিনীর সদস্য বলতে ছিল মাত্র ০৯ জন বৈমানিক ও ৩৮ জন বিমানসেনা। বিমান বলতে ছিল মাত্র ৩ টি বেসামরিক বিমান!এগুলো ছিল ভারতের কাছ থেকে উপহার পাওয়া একটি ডাকোটা ডিসি-৩ পরিবহন বিমান, একটি টুইন অটার পরিবহন বিমান ও একটি অ্যালয়েট থ্রি হেলিকপ্টার। এই নিয়েই যাত্রা শুরু।

 

বেসামরিক থেকে সামরিক, কঠোর প্রশিক্ষণ

প্রথমে বিমান বাহিনীর সদস্যদের কঠোর প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করা হয়। যেহেতু তাঁরা সংখ্যায় কম, তাই এই কম সংখ্যার বাহিনী যেন বেশী কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে, তাই এদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করা হয়। এই ব্যাপারে ভারতীয় বিমান বাহিনী অনেক সহযোগিতা করে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
ট্রেনিংরত কিলো ফ্লাইটের সদস্যরা। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বেসামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের অভিজ্ঞতা আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামরিক বিমানে রুপান্তরিত করতে শুরু করে সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা।

ভারতের আসামের ডিমাপুরের একটি পরিত্যাক্ত রানওয়েতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর টেকনিশিয়ানরা উপহার পাওয়া বিমানগুলো রূপান্তর ও আক্রমণ উপযোগী করে তোলার কাজ শুরু করে। ডাকোটা বিমানটিকে ৫০০ পাউন্ড বোমা বহনে উপযোগী করে তোলা হয়। টুইন অটারটির প্রতি পাখার নিচে ৭টি করে রকেট যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি এটি ১০টি ২৫ পাউন্ড ওজনের বোমাও বহন করতে পারত যা একটি দরজা দিয়ে হাত দিয়ে নিক্ষেপ করতে হত। আর অ্যালুয়েট হেলিকপ্টারের সামনে একটি .৩০৩ ব্রাউনিং মেশিন গান এবং দুই পাইলন থেকে ১৪টি রকেট নিক্ষেপের ব্যবস্থা করা হয়। এই ছোট বাহিনীকে কিলো ফ্লাইট নামকরণ করা হয়। স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদকে কিলো ফ্লাইটের অধিনায়ক নির্বাচিত করা হয়।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার করা অ্যালয়েট থ্রি হেলিকপ্টার। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

 

অবশেষে আক্রমন

পরবর্তীতে কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এবং নারায়নগঞ্জের গোদানাইলে অবস্থিত তেলের ডিপোতে যথাক্রমে অটার এবং এ্যালুয়েট হেলিকপ্টার দিয়ে ৩রা ডিসেম্বর ১৯৭১ মধ্যরাতে সফল অভিযান চালানো হয়। ১৯৭১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত অটার বিমানের মাধ্যমে ০৬টি এবং এ্যালুয়েট হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৪৪ টি সহ মোট ৫০টি বিমান অভিযান সাফল্যের সাথে পরিচালনা করা হয়।

এই আক্রমনগুলো বেশ ফলদায়ক প্রমানিত হয় এবং শত্রু পক্ষের যথেষ্ট ক্ষতি সাধন করতে সক্ষম হয়। এই আক্রমণগুলো হানাদার বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রমে যথেষ্ট পরিমান ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ক্ষতির চাইতে বেশী যে ব্যাপারটি হয়, সেটি হল এতে হানাদার বাহিনীর মনোবল অনেকটাই ভেঙ্গে যায়। পক্ষান্তরে বাঙালি যোদ্ধাদের মনোবল অনেকাংশেই বৃদ্ধি পায়। এই ব্যাপারটি আমাদের মহান বিজয়কে তরান্বিত করতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহার করা বিমান। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও আমাদের কৃতজ্ঞতা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরত্বসূচক অবদান এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ০১ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ০৬ জন বীর উত্তম, ০১ জন বীর বিক্রম এবং ১৫ জন সদস্যকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রায় ৬৮৩ জন সদস্য প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন, এদের মধ্যে ০৬ জন কর্মকর্তা এবং ৪৪ জন বিমানসেনা যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যু বরণ করেন।

অতি সম্প্রতি, ২০১৭ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ, বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং দেশ গঠনে প্রশংসনীয় ভূমিকার  জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।

আমাদের বিমান বাহিনী যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন পরিস্থিতি কোন দিক থেকেই অনুকুলে ছিল না। চারিদিকে ছিল, রক্ত, ধ্বংস, ভয় এবং অনিশ্চয়তার রাজত্ব। এর মধ্যে থেকেই তাঁরা শুধু মাত্র ইচ্ছা শক্তির উপর ভোর করে একটি কার্যকরী বিমান বাহিনী তৈরি করতে সক্ষম হয় এবং সেটা দিয়ে অনেক সংখ্যক সফল আক্রমণও চালায়। এ ব্যাপারটিকে যতই প্রশংসা করিনা কেন, তাও যেন কম মনে হয়। আমরা কৃতজ্ঞ। তাঁরা ছিলেন বলেই না আজ আমরা স্বাধীন দেশে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারি! আমরা কৃতজ্ঞ। বিজয়ের এই মাসে আমরা আমাদের বিমান বাহিনীর সদস্য সহ সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধের রনাঙ্গনে একজন বীর বিমান সেনা। ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী

 

এই সব রোমহর্ষক দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন মহান মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম শামসুল আলম, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, পাকিস্তান এয়ারফোর্সঃ

 

 

তথ্য সুত্র এবং বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

বাংলাদেশ এয়ারফোর্স

উইকিপিডিয়া

দৈনিক প্রথম আলো

বিবিসি বাংলা

ভিডিও কৃতজ্ঞতাঃ দিপ্ত টিভি

Blogger. Music enthusiast. Free thinker.

Assistant Manager
Flight Expert.

www.flightexpert.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Flights From Dhaka To Rajshahi
Previous post
Tourist Attractions In Sylhet
Next post